বিস্ময়ের অভাব ঘটলে আমি আয়নার সামনে দাঁড়াই। কীসের প্রত্যাশায় অন্তর্জালের কুঠুরি টাকেই অদৃশ্য করি মাঝে মাঝে? খুব সামান্য ক'জন ছাড়া কেউ তো বুঝতেই পারে না আদৌ আমি নেই। তাহলে স্রোতহীন ভাঙা কাচের অবাক এই মেহফিলে কীসের আসা, কীসেরই বা যাওয়া? তবু অন্ধকারও তো একরৈখিক নয়। ওয়াটস্যাপে Rancho "মমিস্রোতে..."র ছবি দিয়ে বলে 'একজনকে গিফ্ট করব বলে কিনলাম', Nilambar বাবু "...অলীক মানুষ" আর "মমিস্রোতে..." পড়তে পড়তে জানান একজন প্রকৃত কবির পঙক্তি "heal" করে, মনে হয়, খুব ছোট্ট হলেও এই কুঠুরিটার মায়া আমায় আরও বহুদিন ঘিরে থাকবে। যারা আমায় ছাপিয়েছেন, বইতে আর ওয়েবে, তাদের প্রতি দায়েও আমার মায়া পোড়া কাজল লেপ্টে আছে, টের পাই। আমি ফিরি। কেউ কেউ আছে এমনও যারা আমায় কখনো বলে নি ফেরো, এতদূর আকাশ সাজিয়ে দিয়েছে শুধুমাত্র আমার নির্জনতার সম্মানে, তাদের নাম নি এত স্পর্ধা হয়নি এখনো। বড় প্রিয় কলম তাঁরা আমার। কবিতা লিখলেই কি কবি? তা তো নয়। তবে তাঁরা কবিই। এও মনে হয়, অতিমারির শ্বাসরোধী আগ্রাসনে কবে শেষ দম আমিও নিয়ে ফেলি, সেই তক নাহয় ইউলিসিস সঙ্গ দিল, "...drink life to the lees"...
মে ফ্লাওয়ার দেখিনি তবে একুশের মে কী নিয়ে আসে, পঞ্চইন্দ্রিয় নিয়ে সেই অপেক্ষা জন্ম নেয়।
"তবুও বাঁচার নেশা বেহায়া লোলুপ"
কী যে করি, বেহায়া যে... বেহায়াসিন্থ।
No comments:
Post a Comment