"প্যালিনড্রোম
যেভাবে প্রতিটা একলা মানুষ অধিকতর একলা হ’তে চেয়ে দীর্ঘ কোনো মিছিলে হাঁটে, আমিও গুছিয়ে রাখি একান্তের উজ্জ্বল খুঁটিনাটি, ভাঙা আদর, রঙিন জোড়াতালি, নেশার ধূসর কৌতুক কিছু আর প্যালিনড্রোমীয় স্মৃতি। সন্ধ্যা নামলে সালতির কুপিগুলি স্থলের কঠিন থেকে সলতে বোধ হয়, কত যে ফল্গুর এখনো পোড়া বাকি...ভাবো তো, আবর্তন ব’লে আদৌ কিছু হয় কি? যে-কাশের দেউলে তুমি গাত্রহরিদ্রা এঁকেছিলে, গেল পূর্ণিমায় তা ময়ূর মুছে লবণ হয়ে গেছে, যে-চ্যুতি থেকে শিশু অশ্বত্থ আলোর হামা টানছিল, এখন হোম স্টে-য় পরিত্যক্ত বীর্যের চাষ করে। অথচ শূন্য আর দুই নিয়ে আজ একের যত হাড়হাভাতেগিরি। আয়নাকে হরবোলা মনে ক’রে আমি খুলে রেখেছি আঙুলের চামড়া থেকে নখরা, গ্রীবা থেকে হাঁস, পিঠ থেকে রডোডেন্ড্রন, সবই...স্মৃতি ফিরে এলে জৈন চন্দ্রাতপটিতে খুঁজো, যক্ষেরা দূত হয়, দাস হবে না ভেবে সিসিফাস যক্ষীরা বয়ে যায় জন্ম-জন্মান্তর ধ’রে ঝলসানো মাটির দায়।"
No comments:
Post a Comment